প্রতিনিধিঃ জুবায়ের বয়ান
রাজনীতির ময়দানে অন্তত ৬০% প্রভাব ইতিমধ্যেই বিএনপির দখলে এসেছে, আর বাকি ৪০% ইনশাআল্লাহ সম্পূর্ণভাবে ফিরে আসবে, যেদিন তারেক রহমান দেশে ফিরবেন—এই বাস্তবতা এখন অস্বীকার করার উপায় নেই।
বিএনপিকে দূর্বল দেখানোর জন্য এতদিন নানা বর্ণনার নামে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে—
“ন্যারেটিভ বিল্ডিং”-এর ছদ্মবেশে বিএনপি বিদ্বেষ, “জুলাই সনদ”-এর নামে অস্থিরতা সৃষ্টি, “পি-আর” শিরোনামে অপরিণত রাজনীতি, আর “ইন্টারিম” নিয়ে নানামুখী দোলাচল—
আজকের এই ঘোষণার মধ্য দিয়েই তার সবকিছুর অবসান ঘটল। হেরে গেলো তোমাদের মিথ্যা ন্যারেটিভ, জয়ী হতে যাচ্ছে আমাদের ঘাম আর রক্তে মাখা রাজপথ।
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও রাজনীতির “ড্রাইভিং সিটে” ফিরে এলো বিএনপি। এখন থেকে রাজনীতির গতি ও দিক নির্ধারণ করবে বিএনপি— আর অন্যরা বাধ্য হবে সেই বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে।
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর থেকে বিএনপি ছিল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, ছিল ক্রমাগত প্রতিরোধের পথে।
কিন্তু এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে—
এবার চালকের আসনে বিএনপি, আর অন্য সবাই যাত্রী।
আজকের প্রার্থী ঘোষণাই দেশকে নির্বাচনের পথে এগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে উঠে পড়েছে, আর এই ট্রেন তার গন্তব্যে পৌঁছবেই—
এটা এখন সময়ের দাবি, বাস্তবতার সিদ্ধান্ত।
এই ঘোষণার পর ইন্টারিম সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপরও চাপ বেড়ে গেছে। তাদের এখন চাই বা না-চাই, নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রমে মনোযোগী হতে হবে।
অবশেষে তারাও এক সময় বলবে—
“এবার থামা যাক, অনেক দেশ উদ্ধার হয়ে গেছে।”
আজ প্রমাণিত—
যেখানে অন্যরা ক্ষুদ্র স্বার্থে আবদ্ধ,
সেখানে বিএনপি এখন এক হিমালয়ের মতো দৃঢ় ও অটল।
জাতীয় ঐক্যের জন্য বিএনপি যত ত্যাগ, সহনশীলতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে—
তার তুলনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল।
তবে সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে—দলীয় ও আসনভিত্তিক ঐক্য ধরে রাখা।বিএনপি যদি অভ্যন্তরীণ ঐক্য অটুট রাখতে পারে, তবে বাংলাদেশের বিজয় নিশ্চিত— কারণ বিএনপি মানেই “প্রো-বাংলাদেশ”,
আর সময়ের পরীক্ষায় সেই সত্য বারবার প্রমাণিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
Leave a Reply