প্রতিনিধিঃ মাখন মিয়া
“আর একবার যদি ছেলেদুটির মুখখানা দেখতে পারতাম!”এক অসহায় পিতার এমনই আফসোস, ধীরে ধীরে অন্ধ্যত্বের কারণে দেখতে পাচ্ছেন পরিবার পরিজনের মুখ,সংসারের একমাত্র উপার্জন সক্ষম ব্যক্তি আজ পৃথিবীতে বড়ই অসহায়।বলছি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের দক্ষিণ কুড়িমারা গ্রামের দিনমজুর মো. খোকন মিয়ার কথা।তিনি এখন সম্পূর্ণ অন্ধ। চোখের লেন্স নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি দেখতে পান না নিজের দুইটি ছোট্ট সন্তানের মুখগুলিও। একসময় কঠোর পরিশ্রমে সংসার চালানো মানুষটি আজ অন্ধকারে ডুবে আছেন।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর চোখে নতুন লেন্স বসাতে প্রয়োজন প্রায় চার লাখ টাকা। কিন্তু অভাবের সংসারে সেই টাকা জোগাড় করা তাঁর পরিবারের পক্ষে অসম্ভব।আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন দেশ ও প্রবাসের বিত্তবানদের কাছে।
সরেজমিনে দেখা যায়,থাকার মতোও তার নেই ঘর, থাকেন ভাইয়ের ঘরের বারান্দায়। যেখানে দুবেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় করা অসম্ভব কিভাবে করাবেন চোখের চিকিৎসা কিন্তু চিকিৎসা না করলে যে পুরো পরিবারটিই চরম বিপাকে।
স্থানীয়রা বলছেন, খোকন মিয়া পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। এখন তিনি অন্ধত্বের আঁধারে হারিয়ে যাচ্ছেন ধীরে ধীরে।পরিবারের অনুরোধ বিত্তবান ও মানবিক হৃদয়ের মানুষরা এগিয়ে আসলে পৃথিবীতে তারাও খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারে অন্য আর দশটা পরিবারের মতো।
হৃদয়বান মানুষের সামান্য সহায়তাই হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে খোকন মিয়ার চোখের আলো, ফিরিয়ে আনতে পারে তাঁর দুই শিশুর মুখে হাসি।
এ ব্যাপারে ৫ নং শাহেদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ উদ্দিন জানান – খোকন মিয়া অল্প বয়সের ছেলে তবে তার চোখের সমস্যা বহুদিন যাবৎ আমি তাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে আসছি। তবে তার এখন চোখের সমস্যা সমাধান করতে চিকিৎসায় প্রায় ৩/৪ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।
Leave a Reply