বিশেষ প্রতিনিধিঃ মিজানুর রহমান
আমাদের রাজনীতি জনগণের টাকায়, জনগণের শক্তিতে। কারণ রাজনীতির মালিকানা আমরা জনগণের হাতেই রাখতে চাই। কর্পোরেট পুঁজি, কালো টাকা বা ক্ষমতাবান গোষ্ঠীর অর্থ নিলে রাজনীতি আর জনগণের থাকে না—তা মালিকদের হয়ে যায়।
আজ যারা রাষ্ট্রক্ষমতায়, তারা বড় বড় টাকার জোরে নির্বাচন করে। সেই টাকার দায় শোধ করতে গিয়ে তারা জনগণের নয়, পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষা করে। তাই সরকার বদলালেও শোষণ বদলায় না।
আমরা এই ব্যবস্থার বাইরে দাঁড়িয়ে বিকল্প রাজনীতি করতে চাই। সে কারণেই আমরা জনগণের কাছেই সহযোগিতা চাই। জনগণের ছোট ছোট সহযোগিতাই আমাদের বড় শক্তি, কারণ এতে রাজনীতির ওপর জনগণের নিয়ন্ত্রণ থাকে।
কেন নির্বাচনে জনগণের সহযোগিতা নেওয়া জরুরি
নির্বাচন শুধু ভোট দেওয়ার বিষয় নয়—এটা জনগণের মত প্রকাশের একটি মঞ্চ। কিন্তু এই মঞ্চ দখল করে রেখেছে টাকা, পেশিশক্তি আর ক্ষমতার দাপট। এই দখল ভাঙতে হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই লড়াই করতে হবে।
আমরা যদি জনগণের সহযোগিতায় নির্বাচন করি, তাহলে—
আমরা কারো কাছে দায়বদ্ধ থাকব না, শুধু জনগণের কাছে থাকব
নির্বাচনী রাজনীতি দুর্নীতি ও কালো টাকার প্রভাবমুক্ত থাকবে
সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে, রাজনীতি তাদের হাতেই থাকতে পারে
জনগণের সহযোগিতায় পরিচালিত নির্বাচন আসলে একটি আন্দোলনের অংশ। এটি জনগণকে সংগঠিত করে, সচেতন করে এবং ভবিষ্যৎ লড়াইয়ের ভিত্তি গড়ে তোলে।
আমাদের বিশ্বাস
বাসদ (মার্কসবাদী) বিশ্বাস করে—
রাষ্ট্র জনগণের হবে, সম্পদ জনগণের হবে, সিদ্ধান্ত নেবে জনগণই।
এই লক্ষ্যেই আমরা আন্দোলন করি, সংগ্রাম করি, সংগঠন গড়ে তুলি এবং জনগণের সহযোগিতায় নির্বাচনী লড়াই চালাই।
কারণ আমরা জানি—
জনগণ ছাড়া রাজনীতি মানেই শোষণ,
আর সংগঠিত জনগণই পারে শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে।
Leave a Reply