প্রতিনিধি এনামুল হক
“একুশ মানে মাথা নত না করা, একুশ মানে অধিকার প্রতিষ্ঠার লাড়াই।”
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের সকল ভাষা ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গকে জানাই আন্তরিক শুবেচ্ছা।
মহান একুশে ফেব্রুয়ারী আমাদের জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, জব্বার, বরকত, শফিউর, সালমসহ আরো অনেকে।
আজকের এই দিনে আমি ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। শ্রদ্ধা জানাই বাংলাভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য নেতৃত্বদানকারী সকল সংগঠনের নেতৃবর্গ এবং সকল ভাষা সৈনিকদের প্রতি। আমি আরোও গভীর শ্রদ্ধা জানাই চব্বিশের জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী সকল সংগঠনের নেতা, কর্মী, এবং সকল পর্যায়ের ছাত্র-জনতার প্রতি যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে গিয়ে অকাতরে তাদের প্রাণ বিলিয়েছেন সেই সব লড়াকু সৈনিকদের আত্মত্যাগের প্রতি।
মহান একুশে ফেব্রুয়ারীর সেই রক্তস্নাত গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হয়। প্রবাসী বাঙ্গালীদের উদ্যোগে ও আমাদের সকলের সহায়তায় ইউনেস্কো ১৯৯৯সালের ১৭ই নভেম্বর এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। একুশের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ এবং জুলাই আগষ্ট বিল্পবের স্মৃতি ধারণ করে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা এবং নিরক্ষরতামুক্ত আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছি।
আসুন, সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার শপথ নিই। “একুশের চেতনায় উদ্দীপ্ত হোক সকল হৃদয়, সমৃদ্ধ হোক বাংলা ভাষা!”
ধন্যবাদান্তে-
এ,কে,এম, মিজানুল হক
সভাপতি
হোসেনপুর রিপোর্টার্স ইউনিটি (এইচআরইউ)
Leave a Reply